আর্কাইভ

মূল নিবন্ধ

স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা পর্যালোচনা

NotebookLM নামে গুগলের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্লাটফর্ম রয়েছে। এতে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন কর্তৃক সম্প্রতি প্রদত্ত প্রতিবেদনের একটি বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনা প্রদান করতে অনুরোধ করা হয়েছিল। প্লাটফর্মটি ইন্টারনেটে প্রাপ্ত কিছু সূত্র (মূল প্রতিবেদন, ডাঃ আমিনুল ইসলামের একটি লেখা এবং ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে প্রকাশিত সংবাদ ও পর্যালোচনা বিশ্লেষন করে নিম্নোক্ত প্রতিবেদনটি প্রণয়ন করেছে।

পড়ুন »
মূল নিবন্ধ

স্বাস্থ্য সংস্কার নিয়ে ভাবনা – স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনে প্রদত্ত প্রস্তাবনা

২১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন ডেকেছিল মত বিনিময়ের জন্য। আমাকে এপোলো ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল। মোটাদাগে যে প্রস্তাব গুলো পেশ করেছি তা প্রশংসিত হয়েছে। আপনাদের জ্ঞাতার্থে তা পেশ করছি। পুরো প্রস্তাবটি কমিশন এর কাছে হস্তান্তর করেছি। –অধ্যাপক ডাঃ আকরাম হোসেন, অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি

পড়ুন »
Marginalized people
মূল নিবন্ধ

স্বাস্থ্য বাজেট কেমন হওয়া উচিত

দুর্বল আর্থিক সামর্থ্যের বাংলাদেশে অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় এবং অপচয় বেশী

বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সামর্থ্য দুর্বল। যদি কোন দেশের সর্বমোট সরকারি ব্যয় জিডিপি-র শতকরা ১৫ ভাগের কম হয় তাহলে ধরে নেয়া হয় ঐ দেশের আর্থিক সামর্থ্য দুর্বল। বাংলাদেশের সর্বমোট সরকারি ব্যয় জিডিপির-র শতকরা ৭ থেকে ৮ ভাগের মধ্যে।
একটি দেশের কোন পরিবারকে সদস্যদের চিকিৎসা ব্যয়ের শতকরা ২০ থেকে ৩০ ভাগ যদি নিজের পকেট থেকে মেটাতে হয়, তাহলে ধরে নিতে হয় যে, ঐ দেশের জনগণের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
বাংলাদেশের জনগণকে পরিবারের স্বাস্থ্য ব্যয়ের শতকরা ৬৯ ভাগ নিজের পকেট থেকে মেটাতে হয়। এই হার শতকরা ৩০ ভাগে নামাতে হলে রাষ্ট্রকে জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের জন্য জিডিপি-র শতকরা ৪ ভাগ বরাদ্দ রাখতে হবে। যদি শতকরা ২০ ভাগে নামাতে হয়, তাহলে রাষ্ট্রকে জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের জন্য জিডিপি-র শতকরা ৬ ভাগ বরাদ্দ রাখতে হবে।
বাংলাদেশ বর্তমানে স্বাস্থ্য বাজেটের জন্য জিডিপি-র শতকরা ০.৮ থেকে ১.০ ভাগ ব্যয় করে থাকে।
তবে এটি অনস্বীকার্য যে বাংলাদেশে সামাজিক খাতে বরাদ্দ এবং ব্যয় খুবই কম। কিন্তু, অপ্রয়োজনীয় যেমন সামরিক, পুলিশ, অবকাঠামো খাতে অত্যধিক বরাদ্দ রাখা হয়। সামাজিক খাতসহ সকল খাতে অপচয়ও অনেক।
২০০১ সালে আফ্রিকান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলি তাদের জাতীয় বাজেটের শতকরা ১৫ ভাগ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়। পরবর্তীতে এই ঘোষণা পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্রের মধ্যে জনপ্রিয় ও অনুসরণীয় হয়ে উঠে।
আফ্রিকান দেশগুলি এই প্রতিশ্রুতি পালনের চেষ্টা করছে। তাদের গড় স্বাস্থ্য বাজেট মোট জাতীয় বাজেটের শতকরা ১১.৫ ভাগ।
বাংলাদেশের ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের স্বাস্থ্য বাজেট মোট জাতীয় বাজেটের শতকরা ৫.২ ভাগ এবং জিডিপি-র শতকরা ০.৭ ভাগ।

পড়ুন »