চলতি প্রসঙ্গ

বাংলাদেশের বর্তমান হাম পরিস্থিতি একটি জরুরি জনস্বাস্থ্য সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকারের সময়োপযোগী অর্থ বরাদ্দ এবং টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। মাঠ পর্যায়ে এর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং হাসপাতালের চিকিৎসা সক্ষমতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। সরকার সেদিক্টেও নজর দিয়েছে। জানা গেছে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই টিকা এসে যাবে দেশে। দ্রুত বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে। তবে মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে এখনি মাইক্রোপ্লানিং এবং যাবতীয়
NotebookLM নামে গুগলের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্লাটফর্ম রয়েছে। এতে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন কর্তৃক সম্প্রতি প্রদত্ত প্রতিবেদনের একটি বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনা প্রদান করতে অনুরোধ করা হয়েছিল। প্লাটফর্মটি ইন্টারনেটে প্রাপ্ত কিছু সূত্র (মূল প্রতিবেদন, ডাঃ আমিনুল ইসলামের একটি লেখা এবং ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে প্রকাশিত সংবাদ ও পর্যালোচনা বিশ্লেষন করে নিম্নোক্ত প্রতিবেদনটি প্রণয়ন করেছে।
২১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন ডেকেছিল মত বিনিময়ের জন্য। আমাকে এপোলো ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল। মোটাদাগে যে প্রস্তাব গুলো পেশ করেছি তা প্রশংসিত হয়েছে। আপনাদের জ্ঞাতার্থে তা পেশ করছি। পুরো প্রস্তাবটি কমিশন এর কাছে হস্তান্তর করেছি। --অধ্যাপক ডাঃ আকরাম হোসেন, অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি

মতামত

মনোযোগ প্রয়োজন

Referral system is very important for patient care as well as to reduce unnecessary load in the secondary and tertiary Government hospitals. In this system patients get health at their doorstep.
যে কোন দেশকেই ক্রমান্বয়ে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে যেতে হবে। অর্থ সংস্থান এবং ব্যয় নির্বাহের জন্য নিম্নোক্ত পরামর্শগুলি দেয়া হয়ে থাকেঃ সম্পদ সম্পদের সমাহার ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করতে হবে। জনসংখ্যার আওতা প্রথমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আওতাভূক্ত করতে হবে। ক্রমান্বয়ে অন্যান্য জনগেোষ্ঠীকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। স্বাস্থ্য সেবা প্রথমে অত্যাবশ্যকীয় ও জরুরী স্বাস্থ্য সেবাকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। ক্রমান্বয়ে অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবাকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। ব্যয় প্রথমে পরিবারের স্বাস্থ্য ব্যয়ের আউট অফ পকেট ব্যয় হ্রাস করতে হবে। ক্রমান্বয়ে পরিবারের পুরো স্বাস্থ্য ব্যয় নির্বাহ করতে হবে।
দুর্বল আর্থিক সামর্থ্যের বাংলাদেশে অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় এবং অপচয় বেশী বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সামর্থ্য দুর্বল। যদি কোন দেশের সর্বমোট সরকারি ব্যয় জিডিপি-র শতকরা ১৫ ভাগের কম হয় তাহলে ধরে নেয়া হয় ঐ দেশের আর্থিক সামর্থ্য দুর্বল। বাংলাদেশের সর্বমোট সরকারি ব্যয় জিডিপির-র শতকরা ৭ থেকে ৮ ভাগের মধ্যে। একটি দেশের কোন পরিবারকে সদস্যদের চিকিৎসা ব্যয়ের শতকরা ২০ থেকে ৩০ ভাগ যদি নিজের পকেট থেকে মেটাতে হয়, তাহলে ধরে নিতে হয় যে, ঐ দেশের জনগণের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণকে পরিবারের স্বাস্থ্য ব্যয়ের শতকরা ৬৯ ভাগ নিজের পকেট থেকে মেটাতে হয়। এই হার শতকরা ৩০ ভাগে নামাতে হলে রাষ্ট্রকে জাতীয়
দেশের স্বাস্থ্য বাজেট অপ্রতুল দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য জাতীয় বাজেটের বরাদ্দ একেবারেই অপ্রতুল। জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা বরাবরই সামাজিক খাত যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দরিদ্রদের নিরাপত্তা বেষ্টনী, কর্মসংস্থান, বেকারত্ব নিরসন, গণ-পেনশন ইত্যাদি খাতে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবী জানিয়ে আসছে। বিগত সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিকট স্বাস্থ্য বিষয়ক সামাজিক খাতে বরাদ্দ বেশী দেখানোর কৌশল হিসাবে সামরিক বাহিনী-হাসপাতাল, পুলিশ-হাসপাতাল, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত-হাসপাতাল এবং সরকারি অনুদান-প্রাপ্ত বেসরকারি হাসপাতালে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বরাদ্দ স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ হিসেবে দেখাতো। এর ফলে সামরিক বা পুলিশ খাতে প্রকৃত বরাদ্দ কম দেখানো যেতো।

আমরা চাই দেশের স্বাস্থ্য সেবাকে আদর্শ মানে উন্নীত করা এবং সার্বজনীন রূপ দেয়ার নেতৃত্বটি স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীরাই দিক। সে লক্ষ্যে আপনি যে পেশারই হোন, আমাদের প্রচেষ্টায় শামিল হলে আমরা বাধিত হবো।

আপনার চিন্তাগুলোকে ছোট বা মাঝারি আকারে লিখে পাঠান। আপনি ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ বা এ ধরণের গ্রুপে যে কথাগুলো লিখছেন সেগুলোর একটি কপি আমাদের কাছেও পাঠান। আমরা সেগুলো সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেবো। মতামত গড়ে তুলবো। ইমেইল (ajss@hdonline.net) বা এই লিংকে ক্লিক করে লেখা পাঠাতে পারেন।

নির্বাচিত

বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বর অন্যতম বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ রূপ নেয়। বিগত কয়েক বছর ধরে ডেঙ্গু কেবল শহরকেন্দ্রিক নয়, বরং সারাদেশেই এর বিস্তার ঘটেছে। ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২,৯৮৬ জন, যাদের মধ্যে পুরুষ ১,৮০৮ জন এবং নারী ১,১৭৮ জন। মোট রোগীর ৯১.৬৩ শতাংশ ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে মৃত্যুবরণ করেছেন ২১ জন।

পডকাস্ট / ভিডিও

সর্বশেষ কিছু লেখা

আমাদের লেখকগণ

Auto Updater by Gplzone WP Plugin