স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা পর্যালোচনা

[NotebookLM নামে গুগলের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্লাটফর্ম রয়েছে। এতে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন কর্তৃক সম্প্রতি প্রদত্ত প্রতিবেদনের একটি বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনা প্রদান করতে অনুরোধ করা হয়েছিল। প্লাটফর্মটি ইন্টারনেটে প্রাপ্ত কিছু সূত্র (মূল প্রতিবেদন, ডাঃ আমিনুল ইসলামের একটি লেখা এবং ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে প্রকাশিত সংবাদ ও পর্যালোচনা বিশ্লেষন করে নিম্নোক্ত প্রতিবেদনটি প্রণয়ন করেছে।]

ভূমিকা

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা সূত্র ধরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করে। এই কমিশনের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে জনমুখী, সহজলভ্য ও সার্বজনীন করা। প্রায় চার মাস ধরে কমিশন সদস্যরা তাদের সম্মিলিত চিন্তা-ভাবনা ও মতামতের প্রতিফলন ঘটিয়ে বর্তমান প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছেন। কমিশন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, জবাবদিহিমূলক এবং টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থার রূপরেখা তৈরিতে কাজ করেছে। এই প্রক্রিয়ায় কমিশনের সদস্যরা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন এবং সেবা গ্রহণকারী বিভিন্ন গোষ্ঠীর মতামত সংগ্রহ করেছেন।

পদ্ধতি

এই প্রতিবেদন প্রণয়নে একটি বহুমাত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তথ্য-প্রমাণ ভিত্তিক বিশ্লেষণ, পরিদর্শনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করা হয়েছে। পরিদর্শনকালে চিকিৎসক-নার্স ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের সঙ্গে একক ও যৌথ মতবিনিময়ের ব্যবস্থা করা হয় এবং সেই সঙ্গে সেবা গ্রহণকারীদের মতামত গ্রহণ করা হয়। স্থান ও প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সময় দুর্গম এলাকা ও অবহেলিত ডিসিগুলোর ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের অনুরোধে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) একটি জনমত জরিপ পরিচালনা করেছে। এই জরিপের ফলাফল সুপারিশ প্রণয়নে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। জরিপটি পরিচালনার লক্ষ্যে সারাদেশের আটটি বিভাগ (শহর ও পল্লী এলাকা) থেকে প্রায় ৩৪৪টি প্রাথমিক নমুনা এলাকা নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত প্রতিটি নমুনা এলাকা থেকে নমুনায়নের মাধ্যমে ২৪টি সাধারণ খানা নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত প্রতিটি খানা থেকে ১৮ বা তদূর্ধ্ব বয়সী একজনের নিকট থেকে নির্ধারিত প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এভাবে দেশব্যাপী প্রায় ৮২৫৬ জন নাগরিকের নিকট থেকে তথ্য সংগ্রহপূর্বক উক্ত জরিপের উপাত্ত বিশ্লেষণসহ রিপোর্ট প্রণয়নের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

স্বাস্থ্যখাতের বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জসমূহ

প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়েছে:

  • মানুষকে চিকিৎসার জন্য অনেক সময় ঢাকা বা এমনকি বিদেশেও যেতে হয়।
  • সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিপরীতে বেসরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার অনিয়ন্ত্রিত এবং অস্বাভাবিক বিকাশ ঘটেছে, যেখানে সেবা, মান ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠান অনেক সময় সেবার তুলনায় লাভের প্রতি বেশি মনোযোগ দেয়।
  • স্বাস্থ্যখাতের এই সমস্যাগুলোর অন্তরালে রয়েছে সুশাসনের অভাব, যেমন অস্বচ্ছ সরকারি বরাদ্দ ও নিয়োগ, অপর্যাপ্ত জনবল এবং অনিয়ন্ত্রিত দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা।
  • ক্যান্সারসহ অসংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি, মানসিক স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি, জরুরি চিকিৎসা ও মানসিক সেবার অপ্রতুলতা।
  • প্রবীণ জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক খরচ জনগণের ওপর তীব্র চাপ তৈরি করছে।
  • দুর্নীতি, সক্ষমতার ঘাটতি, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং চিকিৎসা শিক্ষায় নিম্নমানের বিষয়বস্তু একটি গুরুতর হুমকি হয়ে উঠেছে।
  • জনসংখ্যা অনুপাতে স্বাস্থ্য জনশক্তির সংখ্যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে কম। শিক্ষক-প্রশিক্ষক ও গবেষকের ঘাটতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত দক্ষ জনবলের প্রচুর ঘাটতি রয়েছে।
  • একটি একক নীতি নির্ধারক ও সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠানের অভাব অনুভূত হয়েছে। নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞদের পরিবর্তে প্রশাসনের কর্মকর্তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন, ফলে এসব সিদ্ধান্ত অগ্রাধিকার ও প্রায়োগিক বিচারে ত্রুটিপূর্ণ হয়।
  • লাইসেন্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তদারকি করার এবং লাইসেন্সের শর্তাবলী প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা তা দেখার সামর্থ্য নেই। দেশের ১৫,২৩৩টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মধ্যে মাত্র ৪,১২৩টি তাদের লাইসেন্স নবায়ন করেছে এবং ১,০২৭টি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে।
  • স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা দুর্বল, যার ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যায়ন অকার্যকর হয়ে পড়ে। তথ্য ব্যবস্থাপনায় আদর্শ মানের অভাব এবং কারিগরি অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
  • বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) অভিযোগ নিষ্পত্তিতে খুবই দুর্বল কর্মক্ষমতা দেখিয়েছে, যার ফলে রোগী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
  • স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ অপর্যাপ্ত। জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দ কমেছে এবং জিডিপির অনুপাতে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যয় বিশ্বের অন্যতম সর্বনিম্ন। মাথাপিছু সরকারি স্বাস্থ্য ব্যয় প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। অর্থায়ন কাঠামো এখনও প্রকল্প নির্ভর ও দাতা নির্ভর।
  • বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।

সুপারিশসমূহ

স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক সংস্কারের জন্য কমিশন অনেক সুপারিশ প্রদান করেছে। উল্লেখযোগ্য কিছু সুপারিশ হলো:

  • স্বাস্থ্যকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সাংবিধানিক বা আইনি স্বীকৃতি দেওয়া।
  • স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য দুর্নীতি, অনিয়ম, পক্ষপাত, রাজনীতি প্রভাবিত কর্মকাণ্ড এবং অযোগ্য লোক নিয়োগের মতো চ্যালেঞ্জিং দিকগুলো সমাধান করা।
  • একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, যেমন স্বাস্থ্য কমিশন গঠন করা। এটি স্বাস্থ্যসেবার মান, নিরাপত্তা, দক্ষতা, স্বচ্ছতা, নীতিগত দিকনির্দেশনা, সেবা নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীর অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করবে। এই কমিশন সরাসরি সরকারপ্রধানের কাছে রিপোর্ট করবে এবং জবাবদিহিতার জন্য সংসদে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেবে।
  • প্রশাসনিক দিক থেকে স্বায়ত্তশাসিত ও পেশাভিত্তিক একটি নতুন সিভিল সার্ভিস ক্যাডার গঠন করা। নিয়ন্ত্রিত নিয়োগ প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক সার্ভিস কমিশন (স্বাস্থ্য) গঠন করা অত্যাবশ্যকীয়।
  • স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, নার্সিং সেবা এবং নগর ও পৌর স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো পুনর্গঠন করা।
  • চিকিৎসা শিক্ষায় মান উন্নয়ন, শিক্ষক-প্রশিক্ষক ও গবেষকের ঘাটতি পূরণ এবং রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে transparency নিশ্চিত করা। যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে প্রশাসনিক ও একাডেমিক পদে নিয়োগ নিশ্চিত করা।
  • প্রয়োজনীয় আইন, বিধিমালা ও কৌশলপত্র পর্যালোচনা ও হালনাগাদ করা এবং নতুন আইন প্রণয়ন করা। রোগী সুরক্ষা, আর্থিক স্থায়িত্ব, জবাবদিহিতা ও জরুরি প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।
  • একটি আধুনিক ডিজিটাল অভিযোগ নিষ্পত্তির প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। এর মাধ্যমে অভিযোগকারীরা সহজে অনলাইনে অভিযোগ দায়ের ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবে এবং সরবরাহকারী ও অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রেখে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যাবে। এটি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-এর অধীনে চালু করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং অর্থায়নের টেকসই ভিত্তি তৈরি করা। স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাধ্যতামূলক করা।
  • পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞদের দ্বারা স্বাস্থ্য-পুষ্টি-জনসংখ্যা বিষয়ক নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
  • সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রবর্তন এবং কাঠামোবদ্ধ রেফারেল পদ্ধতির মাধ্যমে রোগীর সেবা মাধ্যমিক ও উচ্চতর পর্যায়ে নিশ্চিত করা।
  • হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নের জন্য বিশ্ব স্বীকৃত পদ্ধতি, যেমন অ্যাক্রেডিটেশন প্রবর্তন করা। হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর স্বীকৃতির জন্য একটি অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড গঠন করা। ৫০ শয্যা বা তার বেশি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে প্রশাসন/ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রিধারী ব্যক্তিকে পরিচালক/সুপারিনটেনডেন্ট নির্বাচন করার সুপারিশ করা হয়েছে।
  • বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি করা। নগর পরিকল্পনা, শিক্ষা, কৃষি, পরিবেশ ও পরিবহন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রধান খাতসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় গড়ে তোলা প্রয়োজন।
  • স্বাস্থ্যসেবাকে বিকেন্দ্রীকরণ করে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্বায়ত্তশাসিত স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালনা করা। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সার্ভিসের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় গঠন করা হবে, যার প্রধান হবেন একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক।
  • কর্মরত জনবলের জন্য স্বতন্ত্র চাকরি বিধি ও পৃথক বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা।
  • জনস্বাস্থ্য কর্মী বাহিনী ও অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ।
  • কোন সরকারি সেবা প্রদানকারী দ্বারা কোনো রোগীকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো বেসরকারি হাসপাতাল থেকে কোনো ধরণের পরিষেবা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া যাবে না
  • ওষুধ ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি পণ্যের খরচ ও বাজারমূল্য আলোচনার মাধ্যমে মূল্য নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অত্যাবশ্যকীয় মেডিকেল সামগ্রীর উপর ভ্যাট/ট্যাক্স উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা প্রয়োজন। গবেষণা ও উন্নয়নে টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আমদানির উপর নির্ভরতা কমানো।
  • বেসরকারি হাসপাতালের সম্প্রসারণ এবং সরকারি খাতের সাথে সমন্বয় নিশ্চিত করা, যাতে রোগী বিদেশমুখী না হয় এবং দেশে আত্মনির্ভরশীল চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহের লাইসেন্সিং ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি একক সেবা কেন্দ্র চালু করা।
  • প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ, আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন ও বিশ্ব মানের টারশিয়ারি সেবা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করা।

উপসংহার

প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্যখাতের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলোকে সামনে এনেছে এবং সেগুলো সমাধানের জন্য ব্যাপক ও সুচিন্তিত সুপারিশমালা প্রদান করেছে। এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতকে জনমুখী, সহজলভ্য, সার্বজনীন, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই করে তোলা সম্ভব বলে প্রতিবেদনে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার চিন্তাগুলোকে ছোট বা মাঝারি আকারে লিখে পাঠান। আপনি ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ বা এ ধরণের গ্রুপে যে কথাগুলো লিখছেন সেগুলোর একটি কপি আমাদের কাছেও পাঠান। আমরা সেগুলো সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেবো। মতামত গড়ে তুলবো। ইমেইল (ajss@hdonline.net) বা এই লিংকে ক্লিক করে লেখা পাঠাতে পারেন।

Leave a Comment